বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল দীর্ঘ সময় ধরে নিরাপত্তার কারণে ভারতীয় মাটিতে খেলতে পারেনি। তবে নতুন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক দেখিয়েছেন, সম্পূর্ণ বিপরীত প্রতিক্রিয়া। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, ভারতের সঙ্গে বন্ধুসুলভ সম্পর্ক বজায় রাখা এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধান আনা তার মূল লক্ষ্য।
২০২৪ সালের আগষ্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলের ভারত সফর স্থগিত হয়ে যায়। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ভারত সফর নিয়ে অনড় ছিলেন। শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ সরিয়ে নেওয়ার বাংলাদেশি দাবি আইসিসি মানেনি। ফলে জাতীয় দল বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারেনি।
শপথ নেয়ার পর, মিরপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মুখোমুখি হয়েই আমিনুল হক বলেন,
“আমি ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। আমরা আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান করতে চাই, কারণ সকল প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুসুলভ সম্পর্ক বজায় রাখতে চাই। খেলা থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলব।”
তিনি আরও যোগ করেন,
“কূটনৈতিক জটিলতার কারণে আমরা বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারিনি। যদি বিষয়গুলো আগেই আলোচনা ও সমাধান হতো, আমাদের দল হয়তো বিশ্বকাপে খেলত।”
প্রথমবারের মতো সরকারের অংশ হওয়া এবং ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি বলেছেন,
“বিগত সময়ে আমরা অস্থিতিশীল ক্রীড়াঙ্গন দেখেছি। ক্রীড়াবিদ, সংগঠক ও সাংবাদিকদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। আমরা চাই সকলে একটি পরিবারের মতো থেকে বাংলাদেশি ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিয়ে যাই। ইনশাআল্লাহ পরিবারের মতো একসঙ্গে এগিয়ে যাব।”
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন,
“আমি একদম জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। যেখানে অনিয়ম বা দুর্নীতি হবে, আমাকে জানান। আমি দায়িত্ব নিয়ে সেটা বন্ধ করার চেষ্টা করব। ভবিষ্যতে কোনো দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না, ইনশাআল্লাহ।”