পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের সৃষ্টি



 কামরুল কুদ্দুস রেইনি ঃ (প্রবাস থেকে) অনেক পথ অতিক্রম করে শেষ পযর্¯আগামী ২০২৬ এর ১২ই ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

বাংলাদেশের গনমানুষের বহুল আকাঙ্খীত ১৩তম জাতীয় নির্বাচন ও জুলাই সনদের উপর ’হা/না’ ভোট। ২০২৫ এর মহান জুলাই বিপ্লবের

মাধ্যমে বিগত সতের বছর যাবৎ একটি স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ সৃষ্টির সুবর্ন সুযোগ এসেছে।প্রায় ১৪ শত

সহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এ বিজয় বৃথা যেতে পারে না। স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ ও স্বৈরাচারের প্রধান পৃষ্টোপোষক প্রতিবেশী

আতিপত্যবাদী রাষ্ট্রেটি শত চেষ্টা করেও আমাদের ১৩তম জাতীয় নির্বচন বানচাল করতে পারে নাই। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস রাখি দেশের জনগন

ও অন্তবর্তিকালিন সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সফল হোতে যাচ্ছে জুলাই বিপ্লব। এজন্য দেশের আপামর জনগন ও অন্তবর্তিকালিন সরকারের

সকল উপদেষ্ঠাদের জানাই লাল সালাম। বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। আশা করা যাচ্ছে, জুলাই বিপ্লবের পক্ষে ’হা’ ভোট প্রদান করে

একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও নতুন গঠনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথকে সুগম করে তুলবে জনগন। আশা করছি, নির্বাচন পরবর্তি নতুন সরকার

জুলাই সনদের ভিত্তিতে সকল সেক্টরে সংস্কার নিয়ে এসে জনগনের আশাআক্ঙ্খা পরুন করবে।

আমরা আরো আশা করি, এবারে সকল ভোটারগন সতস্ফতুর্ ভাবে ও সুশ্খংলভাবে ভোটকেন্দ্রে উপস্থি ৃ ত হয়ে ভোট প্রদান করেব।” যার ভোট সে

দিবে এবং যাকে খুশী তাকে দিবে” এই নীতি অবলম্বন করতে হবে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্বা চনে ”লেভেল প্লেইং ফিল্ড” নিশ্চিৎ করতে

হবে। এবারের নির্বাচন আমাদের জাতয়ি মানমর্যাদা রক্ষার নিবর্চ ন। অনেক ত্যাগের বিনিময় এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

এমনকি নির্বচনের পরেও দেখাতে হবে যে, আমাদের দেশে একটা পরিবর্তন হয়েছে। সকল রাজনৈতিক হিংসাবিদ্বেশ ভুলে গিয়ে সব রাজনৈতিক

দল ও জোটকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আওয়ামী লীগের শাসনামলের মত প্রতিহিংসার রাজনীতি জুলাই বিপ্লবের পরে চলতে পারে না। আমরা

মনে করি, নির্বা চনের পরে বিএনপি ও জামায়াত জোটের মধ্যে সংলাপ ও সমঝোতার পথ উন্মোচিত হবে। আরো আশা করি নির্বাচনের পরে

দেশে পুরোপুরি স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিশপত্রের মুল্য অনেকগুন কমে আসবে এবং জনগনের মাঝে আরো অধিক স্বস্তি

ফিরে আসবে। যে দলই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়ীত্ব পাবে, সেই দল বা জোট জুলাই সনদে স্বাক্ষরকারী সকল দলগলোর সাথে সমঝোতার ভিত্তিতে

রাষ্ট্র পরিচালনার মহতী দায়ীত্ব পালন করে যাবে।

আমরা আরো আশা করবো নির্বাচন পরবর্তি সময়ে দেশের জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে পরিনত করার পরিকল্পনা গ্রহন করতে হবে। প্রয়োজনে

জনসংখ্যা নিয়šন¿ করে হলেও একটি সমদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার কর্মসূচী গ্রহন করতে হবে।এছাড়াও শিল্পকারখানা সহ অবকাঠামো উন্নয়ন ৃ

বিকেন্দ্রিকরনের মাধ্যমে গ্রাম ও শহরের মধ্যে ভারসাম্যডুর্ন উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। ফলে, শহরকেন্দ্রিক জনসংখ্যার চাপ কমে যাবে।

তাছাড়া, তরুন প্রজন্মকে কারিগড়ী শিক্ষায় প্রশিক্ষন দিয়ে গড়ে তুলতে হবে। যাতে, দেশবিদেশে স্কিলড ম্যানপাওয়ার নিয়োগের পথ সুগম হয়

এবং বেকারত্ব কমে যায়।

জুলাই বিপ্লবের মিডিয়ার উপরে যাতে জনগন আস্থা অর্জন করতে পারে সেই লক্ষ্যে মিডিয়াকে গনমুখী করে গড়ে তুলতে হবে। স্বৈর শাসনের

আমলে মিডিয়া গনবিরোধী ভুমিকায় আবতীর্ন হয়েছিল। বাংলাদেশের অধিকাংশ মিডিয়া সতের বছর যাবৎ স্বৈর শাসকের তাবেদারী করেছে।

তাছাড়া বাংলাদেশের অনেকগুলো শক্তিশালী মিডিয়া বিদেশের এজেন্ডা পালন করেছে। বিষয়টা খুবই দুঃখজনক ও লজ্বাস্কর। এ ধরনের

মিডিয়াগলোকে চিহ্নিত করে এদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহন করতে হবে। গনমাধ্যম বিকৃত তথ্য সরবরাহ করে সমাজে বিভ্রান্তি সুষ্টি করে। জুলাই

বিপ্লবের পরে কোন গনমাধ্যমকে বিভ্রান্তি ছঢ়িযে অর্থ কামানোর রাস্তা বন্ধ করে দিতে হবে। তাই জুলাই সনদ আমাদের জাতীয় জীবনে অত্যান্ত

গুরুত্বপুর্ন। আতএব, ’হা’ ’না’ ভোটে জুলাই সনদের পক্ষে গনরায় আসলে এর আলোকে সবকিছু ঢেলে সাজাতে হবে। 


Post a Comment

Previous Post Next Post