আইএলটি-টোয়েন্টিতে দারুণ ছন্দে আছেন মুস্তাফিজুর রহমান। দুবাই ক্যাপিটালসের হয়ে এখন পর্যন্ত দুটি ম্যাচ খেলেছেন তিনি, আর সেই দুই ম্যাচেই বল হাতে দেখিয়েছেন চমৎকার নিয়ন্ত্রণ। মুস্তাফিজ যে ৪২টি বল করেছেন, তার মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি—মোট ২৪টি—ডট বল! কাটার মাস্টারের এই ধারাবাহিকতা ইতোমধ্যেই আলোচনায় জায়গা করে নিয়েছে।
দুবাইয়ের জার্সিতে অভিষেক ম্যাচেই গালফ জায়ান্টসের বিপক্ষে ২৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন তিনি। যদিও সেই ম্যাচে জিততে পারেনি তার দল। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে আবুধাবি নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে আবারও আলো ছড়ান মুস্তাফিজ—৩ ওভারে ২২ রান দিয়ে নেন আরও ২টি উইকেট, আর এবার জিতে যায় দুবাই ক্যাপিটালস।
প্রথম ম্যাচের ১৩ ডট বলের সঙ্গে দ্বিতীয় ম্যাচের ১১ ডট বল—সব মিলিয়ে ২৪টি ডট! ৪২ বলে ৫০ শতাংশেরও বেশি ডট বল করা যে কোনো টি-টোয়েন্টি বোলারের জন্যই বড় সাফল্য। সেই সঙ্গে এখন পর্যন্ত আসরে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীদের তালিকায় মুস্তাফিজ আছেন ৬ নম্বরে। তার ইকোনমি রেট ৬.৮৫—টি-টোয়েন্টির মানদণ্ডে যা সত্যিই প্রশংসনীয়।
আগামী ১৬ ডিসেম্বর আইপিএলের নিলাম। এর আগে দিল্লী ক্যাপিটালসের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। তাই আইএলটি-টোয়েন্টিতে এমন দুর্দান্ত ফর্মে থাকা মুস্তাফিজকে নিলামে “হট কেক” বানাতে পারে বলেই মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।
এদিকে একই টুর্নামেন্টে খেলছেন আরেক বাংলাদেশি তারকা সাকিব আল হাসান। এমআই এমিরেটসের হয়ে ৭ ডিসেম্বর প্রথম ম্যাচ খেলেন তিনি। শারজাহ ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ১১তম ওভারের শেষ বলে আউট হওয়া ওয়াসিমের পর পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নামেন সাকিব। ১২ বলে ১৬ রান করার পর ১৬তম ওভারের শেষ বল খেলে হঠাৎই মাঠ ছেড়ে উঠে যান এবং ‘রিটায়ার্ড আউট’ হন—যা তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে এই প্রথম।
ম্যাচে আগে ব্যাট করে ১৮৫ রান তোলে এমআই এমিরেটস। জবাবে শারজাহ ওয়ারিয়র্স লড়াই করলেও থামতে হয় ১৮১ রানে। ৪ রানের রোমাঞ্চকর জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সাকিবের দল।