ব্রেকিং: বিশ্বকাপে বড় ধাক্কা! ২০২৬ আসর বয়কটের ঘোষণা দিল ইরান

 

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল হামলার পর বড় সিদ্ধান্তের আভাস

আর মাত্র কয়েক মাস পর 2026 FIFA World Cup বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে। সেখানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে Iran জাতীয় ফুটবল দলের। তবে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় অনিশ্চয়তা।

ইরানের উপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি Mehdi Taj যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।

“এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রে খেলা অসম্ভব”

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) এক সাক্ষাৎকারে মেহেদী তাজ বলেন,
বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলা ‘অসম্ভব’ বলেই মনে হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ক্রীড়া কর্তৃপক্ষই নেবে বলেও জানান তিনি।

তার এই মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রে

আগামী বিশ্বকাপে ইরান তাদের গ্রুপপর্বের তিনটি ম্যাচই খেলবে যুক্তরাষ্ট্রে।
১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মিশন শুরু হওয়ার কথা।
এরপর ২১ জুন একই ভেন্যুতে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচ এবং ২৬ জুন সিয়াটলে মিশরের বিপক্ষে শেষ গ্রুপ ম্যাচ খেলবে তারা।

এই সূচি অনুযায়ী ইরানের পুরো গ্রুপপর্বই যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

ইরানে বাড়ছে সংকট, স্থগিত ঘরোয়া ফুটবল

এদিকে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় ইরানে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে দেশটির ঘরোয়া ফুটবল প্রতিযোগিতা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

দেশে ফেরার পথ বন্ধ হয়ে পড়ায় বিপাকে পড়েছেন ইরানে অবস্থানরত কয়েকজন বিদেশি ফুটবলারও।

সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর দাবি, আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা নিয়ে ধোঁয়াশা

একই সঙ্গে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা Ali Khamenei নিহত হয়েছেন—এমন দাবি বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ বিষয়ে স্বতন্ত্র ও আন্তর্জাতিকভাবে যাচাইকৃত আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ এখনো স্পষ্ট নয়।

তার মৃত্যুর খবরে দেশে গণশোক পালনের আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।

চাপে কি পড়বে বিশ্বকাপ আয়োজকরা?

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যদি শেষ পর্যন্ত ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায়, তবে তা আয়োজক দেশগুলোর জন্য বড় কূটনৈতিক ও ক্রীড়া সংকট তৈরি করতে পারে।

বিশ্বকাপের আগে এই ইস্যু কোন দিকে মোড় নেয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

Post a Comment

Previous Post Next Post