“মুস্তাফিজ ও বিশ্বকাপ নিয়ে মধ্যরাতের বিসিবির জরুরি সভায় কি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো”

 

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ফাস্ট বোলার মুস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে বাদ পড়া এবং আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষিতে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত করেছে। সভার পর বোর্ড দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রথমে, বিসিবি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিসিআই) চিঠি পাঠিয়ে মুস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার কারণ জানতে চাবে। পাশাপাশি, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ক্রিকেটার, কোচিং স্টাফ, গণমাধ্যমকর্মী ও সমর্থকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-কে স্পষ্ট অবস্থান জানাতে বলবে বিসিবি।

শনিবার রাতে অনুষ্ঠিত জরুরি সভা কলকাতা নাইট রাইডার্সের স্কোয়াড থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আয়োজন করা হয়। বিসিসিআই নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি দেখিয়ে মুস্তাফিজকে আইপিএল খেলতে না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ বিসিবি এখন আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠিয়ে তাদের ব্যাখ্যা জানতে চাইবে।

পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে, কারণ আগামী মাসে শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বাংলাদেশ গ্রুপ পর্বে চারটি ম্যাচ খেলবে, যার তিনটি কলকাতা ও একটি মুম্বাইতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ভারতের সঙ্গে শ্রীলঙ্কা যৌথভাবে আয়োজক হলেও বাংলাদেশের সব ম্যাচ ভারতে রাখা হয়েছে।

মুস্তাফিজ ইস্যুর কারণে সৃষ্ট নিরাপত্তা শঙ্কা থেকেই বিসিবি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিশ্বকাপে দলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইসিসির কাছে স্পষ্ট অবস্থান জানতে চাওয়ার। তারা জানতে চাইবে, যদি একজন খেলোয়াড়ের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তবে আইসিসি কী পদক্ষেপ নেবে এবং তাদের করণীয় কী।

বোর্ডের এই পদক্ষেপ স্পষ্ট করে যে, তারা মুস্তাফিজের আইপিএল থেকে বাদ পড়াকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখছে না। বরং এটি এক বৃহত্তর নিরাপত্তা ইস্যুর অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদি নিরাপত্তা নিশ্চয়তা না দেওয়া হয়, বিসিবি বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো নিরপেক্ষ ভেন্যু, যেমন শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরের অনুরোধ করতে পারে।

বিসিবির এই কঠোর অবস্থান দেশ ও ক্রিকেটাঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ক্রিকেটপ্রেমীরা এখন gespannt হয়ে দেখছেন, বিসিসিআই এবং আইসিসির পরবর্তী প্রতিক্রিয়া কী হবে। এই দুটি চিঠির উত্তরই নির্ধারণ করবে মুস্তাফিজ ইস্যু ও বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দলের নিরাপত্তা সংক্রান্ত পরবর্তী পদক্ষেপ।

Post a Comment

Previous Post Next Post