বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি উইজডেনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিসি ন্যায্যতা মেনে চলেনি এবং ভারতকে প্রাধান্য দিয়েছে, আর বাংলাদেশকে তার ফল ভোগ করতে হয়েছে।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনের সময় ভারতের অস্বীকৃতি এবং পাকিস্তানের ভেন্যু পরিবর্তনের মধ্যে বাংলাদেশ নামিয়ে পড়েছে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা চাপের কারণে। আইসিসি স্পষ্ট জানিয়েছিল, বিশ্বকাপ খেলতে হলে বাংলাদেশকে ভারতে যেতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশ ভেন্যু পরিবর্তনের প্রস্তাব মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে এবং স্কটল্যান্ডকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
উইজডেনের বিশ্লেষণ:
-
ভারতের হাতে অর্থনৈতিক শক্তি ও সুপারস্টারদের প্রভাব থাকায় তারা আইসিসি টুর্নামেন্ট প্রায় নিজের মতো ঘুরিয়ে দিতে পেরেছে।
-
বাংলাদেশের হাতে ছিল মাত্র এক মাস সময়, আর ভারতের জন্য ছিল তিন মাস।
-
মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ায় রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও আত্মসম্মানকে প্রভাবিত করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিসি এখন নীতি-নৈতিকতা বা ন্যায্যতার মানদণ্ডকে একপাশে রেখেই ভারত তোষণে ব্যস্ত। বাংলাদেশের মতো ছোট দেশগুলো এই ধরনের আগ্রাসী আচরণের সামনে রুখে দাঁড়ানোই একমাত্র সমাধান।
উইজডেনের বিশ্লেষণ দেখাচ্ছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ক্ষমতা ও অর্থ কতটা গুরুত্বপূর্ণ—এবং বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর পক্ষে ন্যায্যতা পেতে কতটা কঠিন।