মাত্র ১১ মিনিট ৫২ সেকেন্ড মাঠে থাকার পর আচমকাই লিওনেল মেসিকে বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপরই পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ১৫ হাজার রুপি টিকিট কেটে মাঠে এসেও প্রিয় তারকাকে ঠিকমতো দেখতে না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন হাজার হাজার ফুটবলপ্রেমী।
ক্ষুব্ধ সমর্থকেরা গ্যালারিতে লাগানো হোর্ডিং ভাঙচুর শুরু করেন। পরে গ্যালারির চেয়ার খুলে সেগুলো মাঠের ভেতরে ছুড়ে মারা হয়। মাঠে একের পর এক বোতলও ছোড়া হতে থাকে। এক পর্যায়ে মাঠঘেঁষা ফেন্সিংয়ের গেট ভেঙে দর্শকেরা হুড়মুড় করে ভেতরে ঢুকে পড়েন।
হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে প্রথমে হতভম্ব হয়ে পড়ে পুলিশ। পরে লাঠিচার্জ করে সমর্থকদের গ্যালারিতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তবে কয়েক মিনিটের মধ্যেই ফের মাঠে ঢোকার চেষ্টা করেন ক্ষুব্ধ দর্শকেরা, ফলে উত্তেজনা আরও বাড়ে।
এই আয়োজনকে অনেক ভক্তই ‘চরম অপমান’ এবং ‘সম্পূর্ণ অব্যবস্থাপনা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়ে এক সমর্থক লিখেছেন, “শোচনীয় ও হতাশাজনক। কলকাতায় এমন দুর্বল আয়োজন আশা করা যায় না। ম্যানেজমেন্ট ভক্তদের আবেগ নিয়ে খেলেছে।”
শুরুর দিন থেকেই আয়োজন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মেসির ভারত সফরের বাকি দুই দিন পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, সেটাই এখন দেখার বিষয়। উল্লেখ্য, ১৫ ডিসেম্বর নয়াদিল্লি সফর শেষে সন্ধ্যায় ভারত ছাড়ার কথা রয়েছে লিওনেল মেসির।