বাংলাদেশের অভিজ্ঞ উইকেটকিপার-ব্যাটার মুশফিকুর রহিমকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কোচ নাজমুল হোসেন শান্ত। নিলাম শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, দলের জন্য একজন জ্যেষ্ঠ ক্রিকেটারকে অন্তর্ভুক্ত করা ছিল টিম ম্যানেজমেন্টের সন্মিলিত সিদ্ধান্ত।
মুশফিক বিপিএল নিলামে ‘বি’ ক্যাটেগরিতে ছিলেন এবং প্রথম ধাপে অবিক্রিত ছিলেন। নিয়ম অনুযায়ী অবিক্রিত ক্রিকেটাররা পুনরায় নিলামে উঠলে তাদের ক্যাটেগরি এক ধাপ করে কমে যায়। তবে মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহর ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রয়োগ করা হয়নি। রাজশাহীও এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছে।
শান্ত বলেন, “আমাদের এমন একজন বড় খেলোয়াড়, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে সেবা দিয়েছেন। তাকে দলে নেওয়ার ইচ্ছা অবশ্যই ছিল। টিম ম্যানেজমেন্ট, কোচ এবং মালিকদের সম্মিলিত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে আমরা মুশফিক ভাইকে দলে নিয়েছি। তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড়, এবং আমাদের দলে তার ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে।”
তিনি আরও বলেন, এই সিদ্ধান্ত টিম ম্যানেজমেন্ট এবং রংপুর রাইডার্সের প্রতি কৃতজ্ঞতার প্রকাশ, যাঁরা প্রথমে এই প্রস্তাবটি এনেছিলেন। শান্ত বলেন, “আমার মনে হয়, এটি সত্যিই খুব ভালো সিদ্ধান্ত। সম্মান অবশ্যই দেওয়া উচিত।”
স্থানীয় ক্রিকেটারদের নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন কোচ। তিনি বলেন, “ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো পারফর্ম করা ক্রিকেটাররাই এবার সুযোগ পেয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমরা তাদের নিয়ে সন্তুষ্ট। আশা করি, তারা বিপিএলেও ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন।”
একনজরে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স স্কোয়াড:
নাজমুল হোসেন শান্ত, তানজিদ হাসান তামিম, মোহাম্মদ নওয়াজ, সাহিবজাদা ফারহান, তানজিম হাসান সাকিব, ইয়াসির আলী চৌধুরী, আকবর আলী, রিপন মন্ডল, জিসান আলম, হাসান মুরাদ, আবদুল গাফফার সাকলাইন, এস এম মেহেরব হোসেন, রবিউল ইসলাম, ওয়াসী সিদ্দিকী, মুশফিকুর রহিম, শাখির এইচ শুভ্র, মোহাম্মদ রুবেল, দুশান হেমন্থ, জাহানদাদ খান।