পাপুয়া নিউ গিনির জাতীয় ক্রিকেট দলে খেলা উইকেটকিপার কিপলিন ডরিগা বড় ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ায় তিন বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন। মোবাইল ফোন ছিনতাই এবং একজন নারীর ওপর হামলার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জার্সির রয়্যাল কোর্ট এ রায় প্রদান করে।
ঘটনাটি ঘটে চলতি বছরের ২৫ আগস্ট ভোরের দিকে। জার্সির সেন্ট হেলিয়ারের হিলারি স্ট্রিটে হাঁটছিলেন একজন নারী। সেই সময় পেছন থেকে ডরিগা তাকে ঘুষি মেরে ফেলে দেন এবং সাথে থাকা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন। ঘটনার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করলে অল্প সময়ের মধ্যেই ডরিগাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকেই উদ্ধার হয় ওই নারীর চুরি যাওয়া মোবাইলটি।
৩০ বছর বয়সী কিপলিন ডরিগা তখন আইসিসি ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ চ্যালেঞ্জ লিগ খেলতে জার্সিতে অবস্থান করছিলেন। ডেনমার্ক ও কুয়েতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার পর আরও কয়েকটি ম্যাচ বাকি ছিল তার। কিন্তু অপরাধমূলক ঘটনায় তার ক্রিকেট ক্যারিয়ার বড় ধরনের ধাক্কা খায়।
২৭ আগস্ট জার্সি ম্যাজিস্ট্রেটস কোর্টে দোষ স্বীকার করেন ডরিগা। পরবর্তীতে ২৮ নভেম্বর রয়্যাল কোর্টে তার বিরুদ্ধে আনা ডাকাতির অভিযোগে তিন বছরের সাজা ঘোষণা করা হয়।
স্টেটস অব জার্সি পুলিশের ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টের ডিটেকটিভ সার্জেন্ট জিম ম্যাকগ্রানাহান ঘটনাটি সম্পর্কে বলেন,“রাতের অন্ধকারে একজন নারীর ওপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত গুরুতর। দ্রুত তদন্ত চালিয়ে সন্দেহভাজনকে শনাক্ত, গ্রেপ্তার এবং চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে আমাদের টিম সফল হয়েছে। নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার বিষয়ে আমরা আরও কঠোর অবস্থানে থাকব।”
এই রায়ের মাধ্যমে আইনের শাসন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জার্সি কর্তৃপক্ষ কঠোর বার্তা দিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।