গত এক বছরে বাংলাদেশ পুরুষ ও নারী ক্রিকেট দলের প্রায় প্রতিটি আন্তর্জাতিক সফরেই নিয়মিত সঙ্গী ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদিন ফাহিম। টিএ-ডিএ ভাতা নেওয়া ও নিয়মিত বিদেশ সফরে থাকা যেন হয়ে উঠেছে তার দায়িত্বের অংশ। তবে সেই সফরগুলোর বাস্তব উপযোগিতা ও প্রভাব নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল।
🗣️ তামিম বলেন—
আপনি ১০ দিন না, ২০ দিন থাকেন, ১০০ ডলার না ৫০০ ডলার নেন-কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু সেটা যদি দলের কোনো উপকারে না আসে, তাহলে সেই সফরের অর্থ কোথায়?”
📌 বোর্ডের অভ্যন্তরেও এখন এ নিয়ে গুঞ্জন রয়েছে—ক্রিকেট অপারেশন্সের দায়িত্বে থেকেও ফাহিম ঠিক কী ভূমিকা রাখছেন, সেটি নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই অনেকের।
🎯 একাধিক আন্তর্জাতিক সিরিজে পরাজয়, পরিকল্পনার অভাব ও দলে সমন্বয়ের ঘাটতির পেছনে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণমূলক কাজের ঘাটতি নিয়ে অনেক ক্রিকেটারই আড়ালে মুখ খুলেছেন। তামিমের বক্তব্য সেই অসন্তোষের প্রকাশ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
📉 ক্রিকেট অপারেশন্সের চেয়ারম্যান হিসেবে দলের সঙ্গে থাকা মানেই শুধু মাঠে উপস্থিত থাকা নয়,
বরং খেলার মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখা, পরিকল্পনা দাঁড় করানো এবং কোচিং স্টাফ ও ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কৌশলগত সমন্বয় করাই প্রধান কাজ।
❗তামিম ইকবালের মতো একজন সিনিয়র ক্রিকেটারের এমন প্রশ্ন বোর্ডের নীতিনির্ধারকদেরও ভাবতে বাধ্য করবে—আসলেই এই সফরগুলো দলের কতটা কাজে আসছে?
